আপডেট: ফেব্রুয়ারী ১১, ২০১৮   ||   ||   মোট পঠিত ৬৫ বার

মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের ৭৫ তম জন্মবার্ষিকী আজ

মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের ৭৫ তম জন্মবার্ষিকী আজআজ ১১ ফেব্রুয়ারি। যশোরের সন্তান জীবন্ত কিংবদন্তী কবি ও গীতিকার মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের ৭৫ তম জন্মবার্ষিকী। ‘ভালোবাসা যত বড় জীবন তত বড় নয়’, ‘আকাশের সব তারা ঝরে যাবে’, ‘এ জীবন তোমাকে দিলাম বন্ধু তুমি শুধু ভালোবাসা দিও’, আমার মন পাখিটা যায়রে উড়ে যায়’, দোয়েল পাখি গান শুনিয়ে ঘুম ভাঙায়’, ‘সেই রেল লাইনের ধারে মেঠো পথটার পরে দাঁড়িয়ে’, ‘তোমার সাথে যদি নাই দেখা হয় এ দুটি নয়ন দিয়ে করবো কী আর’ ‘বন্ধু হতে চেয়ে তোমার শত্রু বলে গণ্য হলাম’ সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের রচয়িতা রফিকউজ্জামান। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জনপ্রিয় ও কালজয়ী বাংলা গানের রচয়িতা এ ব্যক্তি নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। বাংলা চলচ্চিত্রে গানের কথা লেখার পাশাপাশি তিনি অসংখ্য চলচ্চিত্রের কাহিনী ও চিত্রনাট্য লিখেছেন। সঙ্গীতজ্ঞদের মতে, তিনি একমাত্র গীতিকবি। যিনি শুদ্ধ অন্তমিলে গীতিকবিতা রচনায় পারদর্শী।
রফিকউজ্জামান ১৯৪৩ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলার ফুরসুন্দি লক্ষীপুর গ্রামে নানা বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস যশোর শহরের খড়কিতে। পিতার নাম মোহাম্মদ শাহাদত আলী। বড় ভাই ডক্টর মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান। তিনি একাধারে গীতিকার, কবি, লেখক ও গবেষক ছিলেন। ছোট ভাই মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান। যিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন। তার রচিত বিখ্যাত গান ‘সেই রেল লাইনের ধারে মেঠো পথটার পরে দাঁড়িয়ে’ শহীদ ভাইয়ের স্মৃতিই বয়ে চলেছে। যে মায়ের কথা মনে করে তিনি এই গানের কথা লিখেছিলেন গত ৯ জানুয়ারি রতœাগর্ভা সেই মা ইন্তেকাল করেছেন।
আজ শিল্পকলা একাডেমীতে তার জন্মবার্ষিকী উদযাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সঙ্গীতাঙ্গনের অন্যতম পরিচিত মুখ মিল্টন খন্দকারের প্রতিষ্ঠান ‘গীতিকাব্য চর্চা কেন্দ্র’। অনুষ্ঠান সহযোগিতায় আছেন ‘বাংলা গান রচনাকৌশল ও শুদ্ধতা’ গ্রুপ।
বাংলা গানকে অনেক উচ্চতায় পৌঁছে দিতে রফিকউজ্জামান নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছেন। শ’ শ’ তরুণ তার এই প্রচেষ্টার সাথে যুক্ত হয়েছে। যা এখন একটি আন্দোলন। তার এ ”েষ্টায় বাংলা গান আরো সমৃদ্ধ হোক। ফিরে পাক সোনালি দিন। ৭৫তম জন্মবার্ষিকীতে তার প্রতি শুভেচ্ছাসহ এ শুভাশীষ।

তথ্যসূত্রঃ Daily gramerkagoj