আপডেট: জানুয়ারী ২৪, ২০১৮   ||   ||   মোট পঠিত ৮১ বার

দিনব্যাপি খেলাধুলার মধ্যে আনন্দঘন সময় কাটাল জিলা স্কুলে শিক্ষার্থীরা 

সকালে থেকেই জিলা স্কুল মাঠে জমা হতে থাকে সাদা পায়রার দল। সাদা পোশাকে জসিম, মাইকেল, নজরুলের নামে হাউজে হাউজে ভাগ হয়ে যায় তারা। ৯টায় বাদ্যের তালে তালে শুরু করে কুজকাওয়াজ। এরপর হার-জিতের লড়াইয়ে নামেন ঐতিহ্যবাহী যশোর জিলা স্কুলের ক্ষুদে খেলোয়াড়রা। এসময় অস্থায়ী প্যাভিলিয়ন জুড়ে ছিলো অভিভাবক, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ঢল। প্রতি ইভেন্ট জয়ীর নাম ঘোষণার সাথে সাথে মুহুর্মূহু করতালিতে মেতে উঠছিলেন তারা। যদিও শিক্ষার্থীরা এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় গতানুগতিক ইভেন্টের পাশাপাশি ইনহাউজ ক্রিকেট ও ফুটবল প্রতিযোগিতার দাবি জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যদিয়ে ১১৮তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিন এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) দেবপ্রসাদ পাল ও জেলা শিক্ষা অফিসার আমিনুল ইসলাম টুকু। পরে শুরু হয় প্রতিযোগিতা।
‘চ গ্রুপ’ থেকে দীর্ঘ লাফে প্রথম স্থান অধিকারী ৮ম শ্রেণির নাফিস সাদিকসহ বিজয়ীদের হামিম রেজা, সাজিদ হাসান, তাকসিম আহসান জানান, ‘বছরের এই একটি দিন আমরা খুব ইনজয় করি। তবে ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় দীর্ঘলাফ, উচ্চ লাফ, দৌড়, মোরগ লড়াইয়ের পাশাপাশি ইন হাউজ ক্রিকেট, ফুটবল প্রতিযোগিতারও আয়োজন করা হলে ভালো হতো। আমরা স্কুল থেকেই অনেক কিছু শিখতে পারতাম।’
দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আরাফাত রহমানের অভিভাবক জানান, ‘আমাদের ছেলেরা দেশ ও জাতির গর্ব হবে বলে আশা করি। পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও তাদেরকে এগিয়ে নিতে স্কুলের বিকল্প নেই।’
বিকেলে প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ী ছাত্রদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। পুরস্কার বিতরণী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা মহিলা ক্রীড়া সংস্থার সভানেত্রী জেলা প্রশাসক পতœী রুবিনা ইয়াসমিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রধান শিক্ষক একেএম গোলাম আযম। এ সময় উপস্থিত সহকারী প্রধান শিক্ষক শোয়াইব হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক হায়দার আলী, জয়নাল আবেদিন, জামাল উদ্দিনসহ স্কুলের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতায় ধারাভাষ্যে ছিলেন স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক সাজেদুর রহমান, আব্দুল মান্নান ও স্বপ্না রানী দাস।

তথ্যসূত্রঃ Samajer Katha