আপডেট: জানুয়ারী ২৪, ২০১৮   ||   ||   মোট পঠিত ৮৫ বার

আবৃত্তির গন্ডি পেরিয়ে সুরের মুর্ছনায় মহাকবির চৌদ্দটি চতুর্দশপদী কবিতা 

সালমান হাসান: আবৃত্তির গন্ডি পেরিয়ে সুরের মুর্ছনা তুলল মহাকবি মাইকেলের চৌদ্দটি চতুর্দশপদী কবিতা। তাল, মাত্রা, লয় আর বাদ্য যন্ত্রের ব্যবহারে মধুকবির কবিতা সংগীতের রূপ দিলেন সুকুমার দাস। মহাকবির ভিন্নধর্মী চৌদ্দটি সনেট গানে রূপান্তর করেই থেমে যাননি দেশের অন্যতম এই গণসংগীত শিল্পী অধ্যাপক সুকুমার। এগুলো নিয়ে ‘জন্ম যদি তব বঙ্গে’ শীর্ষক একটি সিডিও বের করেছেন তিনি। আজ (২৪ জানুয়ারি) ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে সিডির প্রকাশনা উৎসব। বিকেল চারটায় উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।
জানা গেছে, তেরটি একক ও একটি সম্মিলিত কন্ঠের সংগীত দিয়ে সাজানো হয়েছে গানের সিডিটি। প্রতিটি গানেরই সুর করেছেন অধ্যাপক সুকুমার দাস। সঙ্গীত পারচালনা করছেন অনিক ফয়সাল। সিডিটির ভিন্ন ভিন্ন ১৩টি গানে কন্ঠ দিয়েছেন সুকুমার দাস, সজিব পাল, প্রত্যাশা হালদার, লক্ষী রানী বৈদ্য, ইমরান খন্দকার, মনিকা দেবনাথ কথা, মিলি সোহানী, স্মৃতি কনা পাল, টুটুল বিশ্বাস, প্রকৃতি পাল, মনিকা দাস ও দেবলীনা সুর। এদিকে সমবেত গানটিতে এ ১৩ জনের সাথে কন্ঠ মিলিয়েছেন রুমানা আক্তার, দেবু মল্লিক ও শায়ন্তনী দেবনাথ। মদুসূদনের কবিতা দিয়ে গানের সিডি প্রকাশ নিয়ে অভিব্যক্তি জানতে চাইলে অধ্যাপক সুকুমার দাস বলেছেন, যশোরের ভুতপূর্ব জেলা প্রশাসক নুরুল ইসলামের তাগিদে প্রথম দুটি গানের সুর করি ১৯৯৬ সালে। বিগত ২১ বছর ধরে মধুসূদনের বিভিন্ন লেখা থেকে মাত্র ১৫ টি গানের সুর করেছি। সবটাই করেছি প্রাণের টানে, বিশেষ করে মধুকবির ব্রজঙ্গনা কাব্যের প্রেমে পড়ে। মৌলিক কাজ হিসেবে হয়তোবা সময় একটু বেশিই লেগেছে। জানিনা ক্যামন হয়েছে, শ্রোতারাই শেষ বিচারক।

তথ্যসূত্রঃ Samajer Katha