আপডেট: জানুয়ারী ৯, ২০১৮   ||   ||   মোট পঠিত ২২০ বার

অবশেষে ২ হাজারের বেশি গাছ কাটার সিদ্ধান্ত

যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করতে শেষ পর্যন্ত দুই পাশের ২ হাজার ৩১২টি গাছ কেটে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়েছে। গতকাল দুপুরে যশোর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে যশোর-বেনাপোল রাস্তা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বৃক্ষ অপসারণবিষয়ক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

যশোরের জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দিনের সভাপতিত্বে সভায় যশোর-৩ আসনের এমপি কাজী নাবিল আহমেদ, যশোর-১ আসনের এমপি শেখ আফিল উদ্দিন, যশোর-২ আসনের এমপি মনিরুল ইসলাম, যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান পিকুল, সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন ও আব্দুল মালেক, স্থানীয় সরকার বিভাগ খুলনার পরিচালক হোসেন আলী খন্দকার, জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হোসাইন শওকত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মামুন-উজ্জামান, প্রেস ক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণে এরই মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। শিগগিরই কাজ শুরু হবে। কিন্তু মহাসড়কটির দুই পাশে রেইন ট্রি প্রজাতির শতবর্ষী গাছও রয়েছে। সেগুলো অক্ষত রেখে মহাসড়ক চার লেন করা সম্ভব না। এ কারণে গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, গত ৩১ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরে জনসভা থেকে যশোর-বেনাপোল রাস্তার কাজ উদ্বোধন করেন। ৩২৮ কোটি ৯২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। গাছ থাকলে চার লেন করা সম্ভব না। এজন্য গাছ কাটার ব্যাপারে উপস্থিত সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা কেউ দ্বিমত করেননি।

গাছ কাটার ব্যাপারে জানতে চাইলে যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) হোসাইন শওকত বলেন, আগেই যশোর জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় গাছ কাটার সিদ্ধান্ত হয়। সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব বেলায়েত হোসেন ও আব্দুল মালেকসহ অন্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে গতকাল আবারো মিটিং হয়। উন্নয়নের স্বার্থে সবাই গাছ কাটার পক্ষে মত দিয়েছেন। যশোরের তিনজন এমপি মিটিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। মিটিংয়ে তারা কেউ গাছ কাটার বিপক্ষে মত দেননি। গাছ নিয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং জেলা পরিষদের মধ্যে যে বিরোধ আছে, তা আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় নিষ্পত্তি করা হবে।

তথ্যসূত্রঃ বণিক বার্তা