আপডেট: জানুয়ারী ১, ২০১৮   ||   ||   মোট পঠিত ৫৭ বার

চৌগাছায় খাদ্য গুদামের নির্মাণাধীন ছাদ ধসে ১৮ শ্রমিক হাসপাতালে

চৌগাছা (যশোর)  ॥ যশোরের চৌগাছায় উপজেলা খাদ্য গুদামের নির্মাণাধীন ছাদ ধ্বসে কমপক্ষে ৩০ শ্রমিক আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ১৮ জনকে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
রোববার বিকাল ৫টার সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনা ঘটার সাথে সাথেই নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ঢালী কনস্ট্রাকশনের ইঞ্জিনিয়ার তারিকুল ইসলাম এবং সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মাজিদ ঘটনাস্থল থেকে গা ঢাকা দেয়।
আহত শ্রমিকরা হলেন, মুকুল (২৫), আল-আমিন (২২), হরিপদ (২০), কৃষ্ণ (৪৫), সেলিম (২৬), আবুল কাশেম (২৩), জনি (৩০), ইমান আলী (২৬), শফি (২১), ইকবাল (২৭), মজনু (২৭), আঃ রউফ (২৫), রফিকুল (২৭), আব্দুল (২৭), আজিজুর (৩২), তবিবর (২৬), আনিছুর (৩৪), কানাই (২৪)।
খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলার লেবার সর্দার মোহাম্মদ আলী বলেন, প্রায় নয় হাজার বর্গফুটের এই ছাদ এবং বিমের ঢালাই একসাথে চলছিল। বেলা ১১ টা থেকে বিকাল সাড়ে চারটা পর্যন্ত একটানা ঢালাই শেষে ৩৯ শ্রমিক গোসল সেরে ফিরে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। আর উপরে থাকা শ্রমিকরা নেমে আসছিল। হঠাৎ বিকট শব্দে বিমসহ সম্পূর্ণ ছাদ ধ্বসে পড়ে। এসময় উপরে এবং পাশে থাকা ৩০ শ্রমিক আহত হন।
তিনি বলেন, ভীতের মাটি নরম থাকা, বিম আগে ঢালাই না দেয়ায় একসাথে প্রায় ৯ হাজার বর্গফুট ছাদের ঢালাই দেয়ায় এ ঘটনা ঘটেছে।
শ্রমিকরা জানায়, লোকাল বালির জায়গায় মাটি দিয়ে ভিত ভরাট, কুষ্টিয়া এবং সিলেট বালির জায়গায় লোকাল বালি দিয়ে ভবন নির্মাণ, প্রথম শ্রেণির ইটের জায়গায় তৃতীয় শ্রেণীর ইট ব্যবহার, রেইন কার্টার ইট দিয়ে গাঁথুনি, ল্যাপিং রডে ঝালাই না করার জন্য এ দুর্ঘটনা ঘটে।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা সালমা চৌধুরী দুর্ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।
এবিষয়ে চৌগাছা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নার্গিস পারভীন বলেন, আমি ঘটনা শুনেছি। আহতের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার সময় কনসাল্টেন্সি ফার্ম এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ঢালী কনস্ট্রাকশনের সাইট ইঞ্জিনিয়ার ঘটনাস্থলে অবস্থান করছিলেন।

তথ্যসূত্রঃ Samajer Katha