আপডেট: জানুয়ারী ১, ২০১৮   ||   ||   মোট পঠিত ৫১ বার

লোকে লোকারণ্য প্রধানমন্ত্রীর জনসভা যশোর শহরের বিভিন্ন মোড়ে ১৮ প্রজেক্টরে সম্প্রচার

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমনে উৎসবে পরিণত হয়েছিল যশোর। ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার, দেশরতœকে দেখতে যশোর ও আশপাশের জেলা থেকে লাখো জনতার ভিড় জমেছিল শহরে। লোকে লোকারণ্য জনসভাস্থল থেকে প্রধানমন্ত্রীকে দেখা ও তার বক্তব্য শোনা ছিল দুরূহ ব্যাপার। এজন্য জেলা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে আগেভাগে প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হয়েছিল। সংগঠনের পক্ষ থেকে শহরের মেইন মেইন পয়েন্টে স্থাপন করা হয় ১৮টি প্রজেক্টর। উচ্ছ্বসিত জনতা সেখান থেকে শোনেন প্রধানমন্ত্রীর অমিয়বাণী। প্রজেক্টরে এক নজর দেখতে পেয়ে মুহুর্মুহু করতালি আর স্লোগানে মেতে ছিলেন ভক্তরা।
প্রায় চার বছর পর রোববার যশোর সফরে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যশোরের ঐতিহাসিক ঈদগাহ ময়দানের জনসভায় ভাষণ দেন তিনি। এতে যশোরের আট উপজেলার আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ এবং আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে এসেছিলেন সাধারণ মানুষ। তারা বাঙ্গালির ঐতিহ্যের প্রতীক নৌকাকে ব্যান্ড-ক্যাপে মাথায় এবং ব্যাজে করে বুকে ধারণ করে রেখেছিলেন। শহরের ঈদগাহ ময়দানে দেয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে তাদের সামনে পৌঁছে দিতে টাউনহল ময়দান, কালেক্টরেট মাঠ, দড়াটানা, গাড়িখানাসহ বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয় প্রজেক্টর। বিশেষ পদ্ধতিতে সরাসরি ‘চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ’ পুরস্কারে ভূষিত শেখ হাসিনার দেয়া ভাষণ শুনে খুশিমনে বাড়ি ফেরেন তারা।
যশোরের মণিরামপুর উপজেলার সাধারণ জনতার একজন শান্তনু চক্রবর্তী বলেন, ‘দেশকে উন্নয়নের টার্নিংয়ের দিকে নিয়ে যেতে শেখ হাসিনার ভূমিকা অনস্বীকার্য। তিনি আমাদের গর্ব। যানবাহনের অভাবে দেরিতে পৌঁছে টাউন হল ময়দানে ঠাঁই নিয়েছি। এখান থেকে নেত্রীকে দেখছি। সরাসরি দেখতে না পারলেও তার ভাষণ শুনছি। এটাই বা কম কিসের।’
যশোর এমএম কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আমিরুল ইসলাম ছিলেন দড়াটানায়। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে বাংলাদেশ এগিয়ে চলেছে। তাকে দেখবো বলে এসেছিলাম। কিন্তু ঈদগাহ ময়দান ও তার আশপাশে তিল ধারণের ঠাঁই নেই। ফলে দড়াটানায় দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য শুনেছি। প্রজেক্টরে দেখেছি।

তথ্যসূত্রঃ Samajer Katha