আপডেট: ডিসেম্বর ২৫, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ৭০ বার

বেনাপোলে পুলিশ কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবিতে ৩ ঘন্টা কর্মবিরতি

বেনাপোলে পুলিশ কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবিতে ৩ ঘন্টা কর্মবিরতি যশোরের বেনাপোলে কাস্টমস-ইমিগ্রেশন ভবনে কাস্টমস ও পুলিশ সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতি ও ভবন ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবিতে ৩ ঘন্টা কর্মবিরতি ও মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন করেছে বেনাপোল কাস্টসম হাউসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
রোববার সকাল ৯ টা থেকে ১১ পর্যন্ত বেনাপোল কাস্টসম হাউসের সামনে এ কর্মবিরতি ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে বেনাপোলে দু'দেশের মধ্যে ৩ ঘন্টা আমদানি রপ্তানি বানিজ্য বন্ধ থাকে। এর পরে কাস্টমস সদস্যরা কাজে যোগ দিলে আবার আমদানী রপ্তানী কার্যক্রম শুরু হয়।
বেনাপোল কাস্টমস অফিসার এ্যাসোশিয়েশনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নজরুল বাঙ্গালী বলেন, “সরকারী অফিস ভাংচুর ও কাস্টমস অফিসারদের ওপর হামলার ঘটঁনায় জড়িত ওসি ওমর শরীফ সহ ৫ জন পুলিশের অপসারণের দাবিতে আজ রবিবার সারা দেশে কাস্টসম সদস্যরা কালো ব্যাজ ধারণসহ, কর্মবিরতির পালন করছে।”
“হামলার সুষ্ঠু বিচার না হলে দেশজুড়ে বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি । মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল কাস্টমস হাউসের উপ কমিশনার সাঈদ আহম্মেদ রুবেল, খুলনা-যশোর-বেনাপোল কাস্টমস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাঙালী, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আল মামুনসহ বেনাপোল কাস্টমস হাউজের প্রায় তিন শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী।
এ হামলার ঘটনায় নিন্দা ও একত্বতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ বিসিএস কাস্টমস এন্ড ভ্যাট এ্যাসোশিয়েশন, বাংলাদেশে কাস্টমস এক্সারসাই্জ এন্ড ভ্যাট অফিসার্স এসাশিয়েশন, বাংলাদেশ কাস্টমস এক্সসাইজ এন্ড ভ্যাট তৃতীয় শ্রেনী নির্বাহী কর্মচারী সমিতি।
এর আগে গত বুধবার (২০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের দুই জন আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে কাস্টমসে যান। এ সময় ওই যাত্রীর সঙ্গে মালামাল বেশি থাকায় পাসপোর্ট যাত্রীকে আটক করা হয়। এ নিয়ে পুলিশ ও কাস্টমস সদস্যদের মধ্যে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়।
পরে দুই পক্ষের অন্যান্য সদস্যরা ছুটে এসে উত্তেজিত হয়ে ভবনের আসবাবপত্র ভাঙচুর করেন। ৫ জন গুরুতর আহত হন।

তথ্যসূত্রঃ Daily gramerkagoj