আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ৪১ বার

বুড়ি ভদ্রা থেকে পাটা অপসারণের দাবি ভুক্তভোগীদের

বুড়ি ভদ্রা থেকে পাটা অপসারণের দাবি ভুক্তভোগীদেরসীমান্তবর্তী তিন উপজেলা কেশবপুর, ডুমুরিয়া ও তালার ২৭ টি বিলের ১শ’৪২ টি গ্রামের পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ কেশবপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ২৪ নং পোল্ডার নরনিয়া কাটাখাল স্লুইজ গেট দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলের মানুষের কাছে এখন অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ দিকে কোনো নজর নেই। গেটের সম্মুখে এখনও পাটা ও জাল দিয়ে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছ ধরা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, বিল বাদুড়িয়ার কাটাখাল আঠারমাইল সংযোগ নদী পানি নিষ্কাশন পথে একটি মৎস্য ঘেরের কালভার্টের মুখ থেকে পাটা ও জাল আজো সরানো হয়নি। ফলে, ওই বিলে আগামী বোরো চাষাবাদ না হওয়ার আশংকা করছে গ্রামবাসী। বাদুড়িয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম জানান, এ ব্যাপারে ঘের মালিকের বিরুদ্ধে পানি নিষ্কাশনের জন্যে শতাধিক কৃষকের স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাখিল করলেও তার কোনো ফল পায়নি। একই গ্রামের শাহাবুদ্দীন মোড়ল জানান, দ্রুত পানি না সরালে বিল বাদুড়িয়ার মানুষ দারুণ অভাবের ভিতর দিন কাটাবে। কালভার্ট দু’টির মুখের পাটা দ্রুত অপসারণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে স্থায়ী জলাবদ্ধার হাত থেকে রক্ষা করার জন্যে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
অন্যদিকে, ভদ্রা নদীর সংযোগ মঙ্গলকোট বুড়িভদ্রা দখল করে নিয়েছে অনেকেই। মঙ্গলকোট হতে কালিয়ারই জামালগঞ্জ ভায়া গোলাঘাটা পর্যন্ত এই নদীতে প্রায় ৩১ টি পাটা দিয়ে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যক্তি মাছ ধরে আসছে। ফলে, পানি নিষ্কাশন সেগুলো বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যানন্দকাটি গ্রামের কৃষক আব্দুল জব্বার জানান, এখনও খালে পাটা দিয়ে মাছ ধরার মহোৎসব চলছে। তাদের কেউ কিছু বলতে পারে না। এলাকার কিছু প্রভাশালী ব্যক্তিকে ম্যানেজ করে অবৈধভাবে পাটা দিয়ে মাছ ধরে চলেছে। অথচ আগামী বোরো ফসলের উৎপাদনের বীজতলা তৈরির এখনই সময়। দ্রুত পাটা অপসারণ করে পানি নিষ্কাশন করা না হলে ফসল উৎপাদনে ব্যাহত হবে।

তথ্যসূত্রঃ Daily gramerkagoj