আপডেট: অক্টোবর ১২, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ১৮০ বার

আ’লীগ নেতা ও এমপি নাবিলের সহকারী মধুকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা

আ’লীগ নেতা ও এমপি নাবিলের সহকারী মধুকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টা যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক ও যশোর-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদের একান্ত সহকারী আবু মুসা মধুকে (৫২) কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা। গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ও পরে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে।
১১ অক্টোবর যশোর শহরের কারবালা এলাকার বাসা থেকে প্রাতভ্রমনে বের হলে অতর্কিত এ হামলা চলে। এঘটনায় পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত লিখিত কোন এজাহার পায়নি পুলিশ।
থানা সূত্র জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ নেতা মধু এদিন সকালে প্রতিদিনের মত হাটতে বের হন। এসময় বাড়ির সামনের রাস্তায় পৌঁছালে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এসময় সন্ত্রাসীরা তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। ব্যবহার করা হয় লোহার রড, হকিস্টিক ও ধারালো অস্ত্র। এতে আবু মুসা মধুর মাথা, মুখ, বুক, পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ রক্তাক্ত হয়। এমনকি হামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মধুর তিনটি দাঁত ভেঙ্গে গেছে। হামলার পর এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই দিন দুপুরে ঢাকায় রেফার করা হয়।
হাসপাতালের সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ওহেদুজ্জামান আজাদ জানান, ৭২ ঘন্টা পার না হলে কিছু বলা যাবে না। মধুর মাথার আঘাত গুরুতর। যে কারণে তাকে ঢাকায় রেফার করা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় একটি সূত্র জানিয়েছে, এঘটনায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের আশ্রিত একটি চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রুপ জড়িত। তারা তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করে, আর মৃত ভেবে ফেলে যায়। অপর একটি সূত্র বলছে, কারবালা এলাকার একটি চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও নেশাখোর চক্র এটি ঘটাতে পারে। যারা জানে ওই পথে আবু মুসা বধু প্রাতভ্রমণে বের হন।
এদিকে, ঘটনার ব্যাপারে কোতোয়ালী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এ.কে.এম আজমল হুদা গ্রামের কাগজকে জানান, জখম আবু মুসা মধু হামলাকারীদের কাউকে চিতনে পারেননি। এছাড়া ওই ঘটনার ব্যাপারে কোন এজাহার পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থল এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার আছে। জড়িতদের সনাক্ত করা চেষ্টা চলছে।
অপরদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এবং অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন নেতৃবৃন্দ। বিবৃতিদাতারা হলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন, সহসভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র এস এম কামরুজ্জামান চুন্নু, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর জহুরুল ইসলাম, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. আবুল হোসেন, জেলার তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ফারুক আহমেদ কচি, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান মিন্টু প্রমূখ।

তথ্যসূত্রঃ Daily gramerkagoj