আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ৪৮ বার

মহেশপুরে দুই জালিয়াত সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি

মহেশপুর (ঝিনাইদহ) : মহেশপুরে জাল দলিলের মাধ্যমে আপন ভাইয়ের জমি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে জানাগেছে, মহেশপুর উপজেলার কাজীরবেড় ইউনিয়নের, ঝিকটীপোতা গ্রামের লুৎফর রহমানের দুই ছেলে আতাউর রহমান ও হাফিজুর রহমান বাবার সাথে প্রতারণা করে গত ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর ৮৭৮৭ নং এবং ২০১৪ সালের ৭ এপ্রিল ২৪৯৬ নং দলিল জালিয়তির মাধ্যমে মহেশপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। ৮৭৮৭ নং দলিলের দাতা লুৎফর রহমান এবং গ্রহীতা আতাউর রহমান, মশিউর রহমান ও হাফিজুর রহমান। মশিউর রহমান বিদেশে থাকলেও গ্রহীতা হিসেবে উপস্থিত দেখিয়ে ৮৭৮৭ নং দলিল সম্পন্ন করা হয়। যা সম্পূর্ণ জালিয়াতি। আতাউর রহমান ও হাফিজুর রহমান কৌশলে অপর দুই ভাই হাবিবুর রহমান ও জাহিদুর রহমানকে ফাঁকি দিতে জাল দলিলের মাধ্যমে দোতলা বাড়ি, বাগান ও পুকুর রেজিস্ট্রি করে নিয়েছেন। একইভাবে মাঠের জমি অপর দুই ভাইকে জালিয়াতির মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। যার মাধ্যমে নিজেদের সামাজিক বৈধতা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। পরবর্তীতে হাবিবুর রহমান ও জাহিদুর রহমান বাদী হয়ে ২৪৯৬ নং জাল দলিলটি বাতিলের জন্য ঝিনাইদহ জজকোর্টে মামলা করেন। দলিলটি জাল প্রমাণিত হওয়ায় গত ২৫ এপ্রিল ঝিনাইদহ জজকোর্ট থেকে ২৪৯৬ নং দলিলটি বাতিলের রায় দেয়া হয়। ইতোপূর্বে আতাউর রহমান ও হাফিজুর রহমান জমি আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বাবা লুৎফর রহমানকে বাদী করে হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে মহেশপুর থানায় একটি মামলা করান। মামলার প্রেক্ষিতে মহেশপুর থানায় ঝিকটীপোতা গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি শালিস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত সমূহ লেখার পরে সকলে স্বাক্ষর করেন। থানা থেকে বাড়ি ফেরার পর আতাউর রহমান ও হাফিজুর রহমান শালিসি সিদ্ধান্ত মানতে অস্বীকার করেন। উল্লেখ্য, জালিয়াতির নায়ক আতাউর রহমান বর্তমানে মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা হিসেবে মেহেরপুর ও হাফিজুর রহমান মহেশপুর সরকারি কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত আছেন।

তথ্যসূত্রঃ Daily gramerkagoj