আপডেট: জুলাই ২৩, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ১২৩ বার

নকল লাচ্ছা সেমাই উৎপাদন : মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জেল

নকল লাচ্ছা সেমাই উৎপাদন : মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতের জেলচকচক করলেই সোনা হয় না। আসল নকলের প্রভেদ বুঝতে আমরা প্রায়ই এ প্রবাদ বাক্য ব্যবহার করি। কিন্তু ধান্দাবাজ আর অর্থলোভী মুষ্টিমেয় ব্যবসায়ীদের প্রতারণায় অনেক সময় সচেতন থেকেও খেতে হয় ধোকা। কষ্টার্জিত অর্থের বিনিময়ে আসলের পরিবর্তে প্রতিনিয়ত আমাদের কিনতে হয় নকল খাদ্য পণ্য। ফলশ্রুতিতে ক্ষতি হয় স্বাস্থ্যের। যশোরে এবার ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আবিষ্কৃত হল তেমনি একটি নকল কারখানা। যেখানে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় সেমাই বনফুলের মোড়ক হুবহু নকল করে তৈরি হচ্ছে নকল লাচ্ছা সেমাই। যেখানে পণ্যেটির প্যাকেটটিই নকল তার ভেতরে কি থাকতে পারে এটা কারো অজানা নয়।
সদর উপজেলার মনোহরপুর এলাকায় শাপলা ফুড প্রোডাক্টস দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ও নোংরা পরিবেশে নকল লাচ্ছা সেমাইয়ের পাশাপাশি ক্ষতিকর রং পোড়া তেল ও অন্যান্য উপাদান মিশিয়ে চানাচুর, বুট ও অন্যান্য শিশু খাদ্য প্রস্তুত করে আসছিল। শনিবার দুপুর ১ টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৪৩ ও ৫০ ধারায় শাপলা ফুড প্রোডাক্টস কর্তৃপক্ষ ঝুমঝুমপুর এলাকার মফিজুরের ছেলে রবিনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন। এ সময় জব্দকৃত ৩শ’ প্যাকেট নকল বনফুলের সেমাই ধ্বংস করা হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুর রহমান জানান, রবিনের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তাকে এ দন্ড দেয়া হয়েছে। একে আইন লংঘন করে অন্য ব্র্যান্ডের নকল পণ্য তৈরি করছে অন্যদিকে এ ফ্যাক্টরিতে বিএসটিআই এর ছাড়পত্র, পরিবেশ ছাড়পত্র, ফায়ার সার্ভিস ছাড়পত্র, কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের ছাড়পত্র এবং কর্মচারীদের স্বাস্থ্য সনদও নেই।
সকলের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতকরণ এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগের লক্ষ্যে এ কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সোহেল শেখ, পেশকার জালাল উদ্দীন এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্রঃ Daily gramerkagoj