আপডেট: জুন ১৯, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ১৩৩ বার

বেগবতি নদীতে আদিম যুগের সাকোই এলাকাবাসীর একমাত্র ভরসা

জাহিদুর রহমান তারিক: ঝিনাইদহ রাজবংশের স্মৃতি বিলুপ্তি হলেও শেষ রাজা প্রমূথ ভূষন দেবরায়ের স্মৃতি বিজড়িত অনেক স্মৃতি সংরক্ষণ করা না হলেও শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী মন্দিরের প্রায়ত সাঃ সম্পাদক অতুল অধিকারীর সাময়িক সংস্কারের ফলে এখনও মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে করেকটি মন্দির। সোনতন ধর্মালম্বী মানুষের কাছে তীর্থস্থান হিসাবে এই শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী মায়ের বাড়ি মন্দিরটি বিশেষ ভাবে পরিচিতি লাভ করলেও মূল ফটকের সামনের রাস্তাটি ইট, বালি, পীচের সমন্ময়ে জরাজীর্ণ অবস্থায় থাকলেও মন্দিরের পিছনের দিকটা দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে চলাচল করতে হয় দূর দূরান্ত থেকে আগত মন্দিরের দর্শনার্থী ও এলাকার কর্মজীবি জনসাধারনকে।

ঝিনাইদহ সদর থানা এবং কালীগঞ্জ থানার মধ্যকার সংযোগ স্থানটি বেগবতি নদীর কারনে বিচ্ছিন্ন হলেও বাঁশের সেতুটি সংযোগকে স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছে। ফলে দুই উপজেলার মানুষের ভোগান্তিরও শেষ নেই এই বাঁশের সেতুকে ঘিরে। বাঁশের তৈরি সাকো বানিয়ে গ্রামবাসী যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক রাখার চেষ্টা করলেও বছরের বেশির ভাগ সময় সেতু মেরামতের কাজে ব্যাস্থ রাখতে হয় নিজেদেরকে আর বর্ষা মৌসুমে তো কথায় নেই। বেগবতি নদীর উপর অবস্থিত বাঁশের এই সেতুটি দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী হওয়ার কারনে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সে ভাবে গুরুত্ব দেন না । সেতু কর্তপক্ষের সাথে কথা বললে তারা বিষয়টি দেখবেন বলে বার বার এড়িয়ে যান। জনগনের ধারনা জনপ্রতিনিধিদের ঠেলাঠেলি এবং প্রশাসনের গাফলতির কারনে সেতুটি নির্মান হচ্ছে না।

সেতুটির অভাবে এলাকার জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন হচ্ছে না অপরদিকে বছরের পর বছর জনপ্রতিনিধি সহ সরকারী অফিসে অনেক ধর্ণা দেওয়া হলেও কোন ফল হচ্ছে না। অথচ ভোটের সময়ে বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিরা সেতু করার জোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করলেও নির্বাচন শেষ হওয়ার পর তা স্বপ্ন হতে থাকে। স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের মাঝে মাঝে পড়তে হয় বিপদে তার পর ও ঝূকিপূর্ণ ভাবে পার হতে হয় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের। মন্দির কমিটির অর্থায়নে এবং বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে দানের টাকা দিয়ে প্রতিবছর মেরামত করা হয়ে থাকে বাঁশের সেতুটি।

স্থানীয় জনগনের সাথে কথা বললে তারা বলেন-এ স্থানটি সরকারী অফিস আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ রাজ বংশের ঐতির্য্যের কারনে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবে বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে অথচ আজও আমরা কোন সেতুর ব্যবস্থা করতে পারলাম না। আর কত কাল, আমরা ডিজিটাল যুগে বাস করে আদিম যুগের সাকো পদ্ধতি অবলম্বন করব। ঝিনাইদহ সদরের থানার নলডাঙ্গা ইউ.পি চেয়ারম্যান কবির হোসেন এর সাথে মুঠো ফোনে আলাপ কালে তিনি বলেন-এম.পি মহোদয় সহ সেতু বিভাগের সাথে কথা বলেছি সবাই আমাকে আশ্বস্থ করেছে। এই স্থানটিতে সেতু নির্মিত হলে দুই থানার মানুষের স্বপ্ন সহ দূরদূরান্ত থেকে আগত মানুষের কষ্ট লাঘব হবে এমনটি প্রত্যাশা করে শান্তিকামী এলাকাবাসী।


যেভাবে মহেশপুরের কাঠগড়া বাওড়ের টাকা লুট হয়ে যাচ্ছে
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার কাঠগড়া বাওড়ের মৎস্যজীবীদের মাছ বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। মৎস্যজীবিসহ এলাকার শেয়ারদের টাকা ৮ লাখ টাকা না দিয়ে বাওড়ের হ্যাচারির দায়িত্বে থাকা মুজিবুর রহমান ও ভাটপাড়া গ্রামের আলীবুদ্দিন শেখ লাল এই টাকা আতœসাত করেছেন। মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর এক লিখিত অভিযোগে কাঠগড়া বাওড়ের সাধারণ সম্পাদক ভোলা নাথ এই অভিযোগ করেন। তিনি লিখিত অবিযোগে উল্লেখ করেছেন, মৎস্য মন্ত্রনালয়ের ঘোষিত মৎস্যনীতি ২০০৯ এর আলোকে প্রত্যেক জলাশয়ের তীরবর্তী মৎস্যজীবিদের নিকট জলাশয় ইজারা দেওয়ার বিধান রয়েছে। কিন্ত কাঠগড়া বাওড় সরকারী ভাবে পরিচালিত হওয়ায় বাওড় সংলগ্ন মৎস্যজীবিদের জীবন মান উন্নয়নের জন্য বাওড়ের মোট উৎপাদনের ৪০% টাকা মৎস্যজীবিদের প্রদান করার কথা।

কিন্তু মৎস্যজীবিদের বিভিন্ন ভয় ভীতি দেখিয়ে বাওড়ের হ্যাচারির দায়িত্ব থাকা মুজিবুর রহমান ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিয়োগ করা প্রতিনিধি আলীবুদ্দিন শেখ (লাল) ৪০% এর স্থলে ২০% টাকা প্রদান বাকী টাকা আতœসাত করেছেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে কাটগড়া বাওড় সরকারী ভাবে পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও বাওড়ে দায়িত্বে থাকা মুজিবুর রহমান সরকারী আইনকে থোড়াই কেয়ার করে এমপির প্রতিনিধি আলীবুদ্দিন শেখ লালের কাছে সাবলিজ প্রদান করেছেন। ফলে মৎস্যজীবিরা বাওড়ে রানী মাছ ধরতে না পেরে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। মৎস্যজীবী শিব নাথ ও আনন্দ কুমার জানান, ২০১৫-২০১৬ অর্থ বছরে মৎস্যজীবিদের ২০% টাকা প্রদানের পর মোট ৪৮ লাখ টাকার মাছ বিক্রয় কর হয়। এই ৪৮ লাখ টাকার মধ্যে মৎস্যীবিদের বাকী ২০% টাকা হিসেবে ৮ লক্ষ টাকা বাওড়ের দায়িত্ব থাকা হ্যাচারী মুজিবুর রহমান ও আলীবুদ্দিন শেখ লাল আতœসাত করেছেন।

এ ছাড়াও ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের ০৯/১১/২০১৬ ইং তারিখ থেকে ০৯/০৩/২০১৭ ইং তারিখ পর্যন্ত মৎস্যজীবিদেরকে ২০% টাকা প্রদান করার পর বাকী ৪৮ লক্ষ ৭৩ হাজার ৪ শত ৩ টাকা হ্যাচারীর দায়িত্বে থাকা মজিবুর রহমান মৎস্যজীবি সমিতির সাধারণ সম্পাদককে আলীবুদ্দিন শেখ (লাল) এর নিকট জমা রাখতে বলেন। ওই টাকার মধ্যে মৎস্যজীবিদের ২০% টাকা দেওয়ার নাম করে কাউকে না দিয়ে হ্যাচারী মুজিবুর রহমান ও আলীবুদ্দিন শেখ (লাল) ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬ শত ৮০ টাকা নিজেরা আতœসাত করেছেন। টাকা চাইতে গেলে বাওড়ে দায়িত্ব থাকা হ্যাচারী মজিবুর রহমানের ইন্ধনে আলীবুদ্দিন শেখ লাল তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে মৎস্যজীবিদের প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এ ব্যাপারে হ্যাচারীর দায়িত্বে থাকা মজিবুর রহমান ও এমপির নিয়োজিত প্রতিনিধি আলীবুদ্দিন শেখ লাল মুঠো ফোনে জানান, তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তার কোন সত্যতা নেই।

ঝিনাইদহে পৃথক বিদ্যুৎ স্পৃষ্টে ৩ জনের মৃত্যু
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলা ও হরিণাকুন্ডু উপজেলার পৃথক স্থানে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ঠ হয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার দুপুরের দিকে সদর উপজেলার হুদাপুটিয়া, ভুটিয়ারগাতি ও হরিণাকুন্ডু উপজেলার রাধানগর গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন, ভুটিয়ারগাতি গ্রামের নুজা মন্ডলের ছেলে সুজন (২৬), হুদাপুটিয়া গ্রামের আবুল কাশেম (৫০) ও হরিণাকুন্ডু উপজেলার রাধানগর গ্রামের সানার উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে বুলু বিশ্বাস (৪৫)।

নিহতের আত্মীয় তাসনিম জানান, বুলু বিশ্বাস নিজ বাড়িতে কাজ করছিল। এ সময় বিদ্যুতে স্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই সে মারা যায়। ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক শেখ জানান, দুপরে নিজ বাড়িতে আবুল কাশেম বিদ্যুতের সুইচ দিতে গিয়ে ও সুজন মাঠে মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ঠ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

ঝিনাইদহে বাসের ধাক্কায় ব্যাবসায়ী নিহত
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার খড়িখালী বটতলা নামক স্থানে মনিবার দুপুরে বাসের ধাক্কায় আব্দুল ওহাব মন্ডল (৫০) নামে এক ব্যাবসায়ী নিহত হয়েছেন। তিনি নলডাঙ্গা ইউনিয়নের চেওনিয়া গ্রামের আব্দুল জলিল মন্ডলের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শী সুত্রে জানা গেছে, শনিবার বেলা দুইটার দিকে ওহাব মন্ডল বিষয়খালী বাজার থেকে মটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি ঝিনাইদহ-কালীগঞ্জ সড়কের খড়িখালী বটতলা নামক স্থানে পৌছালে একটি দ্রুতগামী বাস তাকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরণ করেন। খবর পেয়ে বেলা আড়াইটার দিকে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি এমদাদুল হক শেখ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে করেছেন।

যেভাবে শৈলকুপা প্রেসক্লাবের অনুদানের ৫ লাখ টাকা গায়েব
স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী শৈলকুপা প্রেসক্লাবের তহবিল তসরুপের অভিযোগ উঠেছে। গত এক বছরে ক্লাবের অনুদানের প্রায় ৫ লাখ টাকা গায়েব করে দেয়া হয়েছে। এছাড়া বিজয় মেলা থেকে অর্জিত আরো ৪ লাখ টাকার কোন হিসাব নেই। দীর্ঘ কয়েক বছর পরিশ্রম করে স্থানীয় সাংবাদিকরা ক্লাবের নিজস্ব ভবন তৈরির কাজ শুরু করেছেন। এক তলা ভবনের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে গত ২ বছরে। তবে অভিযোগ উঠেছে কবিরপুরে ক্লাবের নিজস্ব ভবনের নামে বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ টাকা অনুদান নেয়া হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, দানশীল ব্যক্তি ও শিল্পপতিদের কাছ থেকে। এসব টাকা ক্লাবের ব্যাংক একাউন্টে যথাযথ ভাবে রাখা হয়নি। ক্লাবের একাউন্টে মাত্র ১ হাজার টাকা রাখা হয়েছে। বাকী সবটাকা পকেটস্থ করা হয়েছে। বর্তমান কমিটির কয়েকজন এসব টাকা ভাগবাটোয়ারা করে পকেটে তুলেছে।

সাংবাদিকদের অভিযোগ, প্রিয়াঙ্কা গ্রুপের চেয়ারম্যান শিল্পপতি সাইদুর রহমান সজল ১ লাখ টাকা ক্লাবের ভবন উন্নয়নে দিয়েছেন। বিশ্বাস বিল্ডার্সের চেয়ারম্যান দুলাল বিশ্বাস কয়েক দফা অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন, যার পরিমাণ লক্ষাধিক টাকা। ওয়াসা’র সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন। এভাবে বিভিন্ন মানুষ, প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ক্লাবের নামে অর্থ নেয়া হয়েছে। ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আব্দুল হাই জেলা পরিষদের মাধ্যমে সরকারী বরাদ্দ দিয়েছেন।

শৈলকুপা পৌর মেয়র কাজী আশরাফুল আজম ক্লাবের ভবন নির্মাণে বরাদ্দ দিয়েছেন। শৈলকুপা উপজেলা চেয়ারম্যান শিকদার মোশাররফ হোসেন সোনার ছেলে শিকদার ওয়াহেদুজ্জামান ইকু ভবন নির্মাণে ব্যক্তি উদ্যোগে ৩০ ব্যাগ সিমেন্ট দিয়েছেন। শৈলকুপা পিআইও অফিস প্রায় ৫০ হাজার টাকার বরাদ্দ দিয়েছে। শৈলকুপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পক্ষে ড. বাবর আলী প্রায় ৫ হাজার টাকা দিয়েছেন। অনুদান দিয়েছে শৈলকুপা কৃষি অফিসও। এভাবে লাখ লাখ টাকার অনুদান এসেছে ক্লাবটিতে।

শৈলকুপা প্রেসক্লাবের অর্থ সম্পাদক মাসুদুর রহমান জানান, ক্লাবের সভাপতি এম হাসান মুসা, সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ সহ নির্বাহী কমিটির কয়েক সদস্য এসব টাকার কোন হিসাব রাখেননি। এসব অনুদান অর্থের সবটাই প্রায় লোপাট হয়েছে। তিনি জানান, শৈলকুপা প্রেসক্লাবের ভবন নির্মাণে বিজয় মেলার আয়োজন করা হয়, সেখান থেকে ৪ লক্ষাধিক টাকা আয় হলেও এক টাকারও হিসাব ক্লাবে দেয়া হয়নি। সে টাকা ব্যাংক এ্যাকাউন্টেও রাখা হয়নি। এমনভাবে আয়-ব্যয়ের কোন কাগজ সংরক্ষণ করা হয়নি। তিনি বলেন, এসব কারণে সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

অভিযোগ উঠেছে, গত এক বছরে প্রেস ক্লাবের অনেক সদস্যকে ইচ্ছামতো বাদ দেয়া হয়েছে। আবার যারা সাংবাদিকতায় জড়িত নয় এমন অনেককে সদস্য করা হয়েছে, পদ-পদবী টিকিয়ে রাখার জন্য। ক্লাবটিকে রাজনীতিকরণ করা হয়েছে, এতে প্রকৃত সংবাদকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। কমিটির মেয়াদ শেষের পথে হওয়ায় দাবি উঠেছে ক্লাবের আয়-ব্যয়ের হিসাব দিয়ে তারপর নতুন করে ভবনের বাকী কাজ শুরু করার। আয়-ব্যয় সঠিক না থাকলে তা লুট-পাটের খাতে চলে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন শৈলকুপার সাংবাদিকরা। তবে প্রেসক্লাবের সভাপতি এম হাসান মুসা বলেছেন, প্রেসক্লাবের উন্নয়নে নিয়মের মধ্যেই হিসেব রেখে অর্থ ব্যয় করা হচ্ছে। এখানে কোন অনিয়ম হয়নি। সামনে প্রেসক্লাব নির্বাচনকে সামনে রেখে একটি মহল অপপ্রচারে নেমেছে।

তথ্যসূত্রঃ From Email