আপডেট: জুন ৩, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ১৬২ বার

যশোরে বজ্রপাতে তিনজন নিহত

যশোরের শার্শা, কেশবপুর ও বাঘারপাড়ায় বজ্রপাতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া অভয়নগরে বজ্রপাতে ৪টি গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে।
বাগআঁচড়া প্রতিনিধি জানান, শার্শার পাঁচ কায়বা গ্রামে বজ্রপাতে কবীর(১২)নামে এক কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে এবং তরিকুল (২৪) নামে এক যুবক মারাত্মক আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার জুম্মা নামাজের পর। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শার্শার পাঁচকায়বা পূর্ব পাড়ার আব্দুর রহমান(আব্দুল)এর ছেলে কবীর ও চাচা আব্দুল মজিদের ছেলে তরিকুল সহ ১০/১২জন মিলে পাঁচ কায়বা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে বিলে মাছ ধরছিল। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে কবীরের মৃত্যু হয় এবং পাশে থাকা চাচাত ভাই তরিকুল মারাত্মক আহত হয়। তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বাগআঁচড়ার একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তি করেছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তরিকুলের অবস্থা আশংকাজনক। এদিকে কিশোর কবীরের অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি জানান, কেশবপুরে শুক্রবার বিকালে বজ্রপাতে উপজেলার আওয়ালগাতী গ্রামের ওজিয়ার রহমান (৩৮) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। এসময় তার ছেলে মিন্টু (১২) আগুনে ঝলসে আহত হয়। এলাকাবাসি জানায়, ওজিয়ার রহমান বাড়ির পাশের আমগাছ থেকে আম পাড়ছিলেন। পাশের নারকেল গাছে বজ্রপাত ঘটলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। গাছের নীচে থাকা তার ছেলে মিন্টু বজ্রপাতের আগুণে ঝলসে যায়। তাকে উদ্ধার করে সাতক্ষীরায় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার সকালে যশোরের বাঘারপাড়ায় বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। নিহত কৃষক আব্দুল গফুর (৫০) উপজেলার হাবুল্যা গ্রামের মৃত ভোলায় মোল্যার ছেলে ।
এলাকাবাসী জানায়, শুক্রবার সকালে হাবুল্যার তাজের কুড় নামের মাঠে জাল নিয়ে মাছ ধরতে যান। এ সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নওয়াপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি জানান, যশোরের অভয়নগরে বজ্রপাতে ৪টি গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার ভোরে অভয়নগর উপজেলার বর্নী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বজ্রপাতে ওই গ্রামের কৃষক জাহাঙ্গীর সরদারের ৩ টি ছাগল ও ১ টি হালের বলদ মারা গেছে।
জাহাঙ্গীর সরদার জানান, খুব ভোরে বজ্রপাত হয়। মনে হচ্ছিল আমার গোয়াল গরে আগুন ধরে গেছে। ঘর থেকে বাইরে এসেই গোয়াল ঘরে গিয়ে দেখি আমার সর্বনাশ হয়ে গেছে। আমার ৩ টি ছাগল ও ১ টি হালের বলদ মারা যায়।

তথ্যসূত্রঃ Samajer Katha