আপডেট: মে ১৩, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ৭৫ বার

যশোর বাজারে বাড়ছে চিনির দাম

শেখ আব্দুল্লাহ হুসাইন॥ যশোর বাজারে চিনির দাম বাড়ছে। চালের দাম কয়েক দফা বৃদ্ধির পর এ সপ্তাহে স্থির রয়েছে। কাঠেরপুলে গত সপ্তাহে গরুর মাংসের দর প্রতিকেজি ৪৮০ টাকায় উঠে আর নামেনি। সরবরাহ কম থাকায় দেশি মুরগির দাম বেড়েছে। এ সপ্তাহে ডাল, ভোজ্য তেল, ফার্মের মুরগি ও ডিমের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
যশোর বড় বাজারে এ সপ্তাহে চিনির দাম বেড়েছে। গত সপ্তাহে সাদা চিনির কেজি বিক্রি হয়েছিল ৬৬ টাকা, এ সপ্তাহে কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৬৮ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। লাল চিনির কেজিতেও এ সপ্তাহে ১ টাকা বেড়ে ৬৫ টাকায় বিক্রি হয়েছে।  প্রায় প্রতি সপ্তাহে চালের দাম বাড়ার পর এ সপ্তাহে স্থির থাকতে দেখা গেছে। শুক্রবার বড় বাজার চাল বাজারে মোটা চাল রতœা প্রতিকেজি ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। স্বর্ণার কেজি বিক্রি হয়েছে ৪০ টাকা থেকে ৪২ টাকা, আটাশ ধানের চাল বিক্রি হয়েছে ৪৪ টাকা থেকে ৪৬ টাকা, কাজল লতা বিক্রি হয়েছে ৪৪ টাকা থেকে ৪৫ টাকা, সুবল লতা বিক্রি হয়েছে ৪২ টাকা, মিনিকেট বিক্রি হয়েছে ৪৮ টাকা থেকে ৫০ টাকা আর বাংলামতি চালের কেজি বিক্রি হয়েছে ৫৪ টাকা থেকে ৫৮ টাকা। এদিকে বড় বাজার এইচএমএম রোড়ের কাঠেরপুল এলাকায় গত সপ্তাহে বিক্রেতারা গরুর মাংসের কেজি ৪৮০ টাকায় বিক্রি শুরু করে। এ সপ্তাহেও সেই দাম অব্যাহত আছে। এখানকার বিক্রেতাদের মধ্যে আর দাম কমানোর কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি। তবে যশোর শহরের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য গরুর মাংসের দোকান রয়েছে। সে সব জায়গায় অবশ্য এখনও ৪৫০ টাকা কেজি দরে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে। বড় বাজার মুরগির বাজারে ফার্মের মুরগির দাম এ সপ্তাহে অপরিবর্তিত থাকলেও বেড়েছে দেশি মুরগির দাম। একদিকে ভোক্তাদের দেশি মুরগির চাহিদা অন্যদিকে বাজারে সরবরাহ কম এ কারণে দাম বেড়েছে বলে বিক্রেতারা জানান। শুক্রবার দেশি মুরগি প্রতিকেজি ৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। তবে ফার্মের মুরগির দাম এ সপ্তাহে অপরিবর্তিত আছে। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হয়েছে ১৪০ টাকা থেকে ১৪৫ টাকায়, লেয়ার বিক্রি হয়েছে ১৭০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা, সোনালীর কেজি বিক্রি হয়েছে ২২০ টাকা থেকে ২৩০ টাকা।
চলতি সপ্তাহে ডাল, ভোজ্যতেল ও মুরগির ডিমের দাম স্থিতিশীল আছে। আমদানিকৃত অস্ট্রেলিয়ান মসুর ডালের কেজি বিক্রি হয়েছে ৭০ টাকা, নেপালের মসুর ডালের কেজি ৮০ টাকা আর দেশি চিকন দানার মসুর ডালের কেজি বিক্রি হয়েছে ১০৫ টাকা থেকে ১১০ টাকা। ভোজ্যতেলের তেলের দামও এ সপ্তাহে বাড়েনি। খোলা সয়াবিন তেলের কেজি বিক্রি হয়েছে ৮৮ টাকা, সুপার বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা আর পাম তেলের কেজি বিক্রি হয়েছে ৭৮ টাকা। এদিকে এখনও সহনশীল পর্যায়ে রয়েছে মুরগির ডিমের দাম। ফার্মের মুরগির লাল ডিমের হালি বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা, সাদা ডিম ২৮ টাকা, দেশি মুরগির ডিম ৪০ টাকা আর বক্সে এক ডজন ফার্মের মুরগির লাল ডিম বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকা।

তথ্যসূত্রঃ Daily Loksomaj