আপডেট: এপ্রিল ৬, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ৯০ বার

যশোরে ইরি ধানে ব্লাস্ট রোগের সংক্রামণ

প্রণব দাস : যশোরে ইরি ধানে ব্লাস্ট রোগের সংক্রামণ যশোরে বৈরি আবহাওয়ার কারণে ধানে ছত্রাকজনিত রোগের আক্রমণ দেখা দিয়েছে। এতে ধানের শীষ শুকিয়ে চিটা হয়ে যাচ্ছে। ফলন বিপর্যয়ের আশংকায় রয়েছে কৃষকরা। তারা অনেকে ঋণ নিয়ে ধান চাষ করছেন। ফসল না হলে তারা বিপাকে পড়বেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে যশোর জেলায় ১শ’ ৩২ হেক্টর ইরি ধান আবাদে ছত্রাকজনিত ব্লাস্ট রোগের সংক্রামণ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কেশবপুর ও অভয়নগর উপজেলায়। কেশবপুরে আক্রান্ত জমির ধান রয়েছে ৫১ হেক্টর ও অভয়নগরে রয়েছে ৩২ হেক্টর জমির ধান। এছাড়া ঝিকরগাছায় ১৭ হেক্টর, মণিরামপুরে ১৫ হেক্টর, শার্শায় ৮ হেক্টর, সদরে ৬ হেক্টর, বাঘারপাড়ায় ২ হেক্টর ও চৌগাছায় ১ হেক্টর জমির ধান ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, জেলায় ১শ’৩২ হেক্টর জমির ধান ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হলেও এরমধ্যে ১শ’২১ হেক্টর জমির ধানের সংক্রামণ দমন করা সম্ভব হয়েছে। বাকী ১১ হেক্টর ধানের সংক্রামণ দমনের চেষ্টা চলছে।
জানতে চাইলে যশোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কাজী হাবিবুর রহমান বলেন, মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে রাতে ঠান্ডা ও দিনে গরম আবহাওয়া ছিল। ওই সময় তাপমাত্রার পার্থক্য ছিল প্রায় ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়ার তারতম্যের কারণে ওই সময়ে বের হওয়া ধানের শীষ ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হয়েছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কৃষকদের আগাম সতর্ক করা হয়েছিল। যারা পরামর্শমত ক্ষেতে ওষুধ ব্যবহার করেছে তাদের সমস্যা হয়নি।
তিনি আরও বলেন, কৃষি কর্মকর্তারা ক্ষেতে যান না এমন অভিযোগ সঠিক নয়। আমরা কৃষকদের আগাম সতর্ক, সচেতনতা লিফলেট বিতরণ, মসজিদে মাইকিং ও কৃষক সমাবেশ করেছি। প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের ফসলের ফলন বিপর্যয় হবে না বলে আশাবাদী।

তথ্যসূত্রঃ Daily gramerkagoj