আপডেট: ফেব্রুয়ারী ৮, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ৭৬ বার

‘বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এই পিঠা উৎসব’

‘বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এই পিঠা উৎসব’যান্ত্রিক ব্যস্ত শহুরে জীবনে অনেকের কাছে গ্রামবাংলায় শিশু কিংবা কিশোর বয়সের মত মজার স্বাদের পিঠা খাওয়ার ফুসরত মেলেনা। অথচ বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সাথে পিঠা মিশে আছে অঙ্গাঙ্গী ভাবে। পারিবারিক আবহে ঘটা করে পিঠা বানানোর ধুম না পড়লেও বাঙালী সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে যথাযথ মর্যাদায় ধরে রাখতে নিরন্তর প্রচেষ্টার একটি অংশ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এই পিঠা উৎসব। যে উৎসব হয়ে ওঠে প্রাণের মিলন মেলা স্মৃতি রোমান্থনের আদর্শ স্থান। সেই স্মৃতি অভিজ্ঞতা পিঠার সুবাস আর নৃত্যের ছন্দে প্রথম বারের মত পিঠা উৎসব উদযাপন করেছে যশোর শিল্পকলা একাডেমী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় একাডেমী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উৎসবে জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্য, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সহ সাধারণ পেশাজীবী মানুষ অংশ নেন।
দুপর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানের প্রথম পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হয় দেড়ঘন্টার নৃত্যানুষ্ঠান। আয়োজনের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদক এড. এাহামুদ হাসান বুলু। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীদের অংশ গ্রহণে উৎসব মঞ্চে শিল্পীবৃন্দ পরিবেশন করেন লোকনৃত্য। অনুষ্ঠান শেষে পিঠার স্বাদ গ্রহণ করেন আগত অতিথিবৃন্দ। পাকান, কুলি, ধুপি, রসের ক্ষীর, নকশী, চিতই, পাটিসাপটা সহ আরো কয়েক পদেও পিঠার স্বাদ পান অতিথিবৃন্দ। নানা স্বাদ আর আকারের বাহারি পিঠার থালা হাতে অতিথিদের মধ্যে জমেছিল দারুণ আড্ডাও।
কামরুল হাসান রিপনের সঞ্চালনায় নৃত্যানুষ্ঠানে অংশ নেয় শেকড়, উদীচী, নৃত্যবিতান, সুরবিতান, শিশু একাডেমী, সুরধুনী, চাঁদের হাট, কিংশুক, পুনশ্চ, নৃত্য নিকেতন, মাইকেল, নৃত্যনিকেতন, ইনস্টিটিউট এবং জেলা শিল্পকলা একাডেমীর নির্বাচিত শিল্পী জাহিদ, মিনা, অথৈ,তন্দ্রা, ফিরোজ, তাসফিয়া জাহিদ, অহনা খালেক, শ্রেয়সী অধিকারী, হায়দার আলী, স্বপ্না, রূপকথা, নিতু, মহুয়া, সুমাইয়া প্রমুখ।

তথ্যসূত্রঃ From Email