আপডেট: জানুয়ারী ২৮, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ৬২ বার

শেষ হলো পিঠাপুলি ও পুষ্প মেলার উপভোগ্য অনুষ্ঠান

শেষ হলো চাঁদের হাট যশোর আয়োজিত তিনদিন ব্যাপী পুষ্প মেলা, চিত্র প্রদর্শনী ও পিঠাপুলি উৎসব। শীত আমেজে প্রস্ফুটিত নানা ফুলের মেলায় চাঁদমনিরা মেতেছিল নানা আয়োজনে। স্টলে ছিল দারুন সব পিঠাপুলির আয়োজন। ক্যানভাসে ঝুলে ছিল কোমলমতি চিত্রকরের আঁকা ছবি। এই ফুল, ছবি, পিঠায় উপস্থাপন করা হয়েছিল যশোরের বিভিন্ন ঐতিহ্য। ভিন্ন ধর্মী উৎসবের সমাপনী দিনে জেলার সমাজ-সংস্কৃতিতে বিভিন্নভাবে অবদান রাখায় চাঁদের হাট যশোরের শিক্ষার্থীর অভিভাবক যশোর জেলা পরিষদ সদস্য শহিদুল ইসলাম মিলনকে সম্বর্ধিত করা হয়।
বুধবার বিকেলে চাঁদের হাটের তিনদিনের জমজমাট আয়োজনের উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। উচ্ছ্বাসিত যশোরের আমোদী মানুষের ভিড় ছিল প্রতিদিন। মেলায় ফুলের ডালি সাজিয়ে শ্রীবর্ধন করছিল আটটি স্টল। শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীরাই শুধু নয়, বৃদ্ধরাও এসে দেখছিলেন এই আয়োজন। উপভোগ করছিলেন চাঁদমনিদের অংশগ্রহণে সাজানো সাংস্কৃতিক আয়োজন। সমাপনী দিনে চাঁদেরহাট ও অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকদের বিচার বিবেচনায় সমাজ-সংস্কৃতিতে বিভিন্নভাবে অবদানের জন্য যশোর জেলা পরিষদ সদস্য শহিদুল ইসলাম মিলনকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আহমেদ কবীর, দৈনিক গ্রামের কাগজ সম্পাদক মবিনুল ইসলাম মবিন, প্রবীণ ব্যক্তিত্ব তারাপদ দাস প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চাঁদের হাট যশোরের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ সাঈদ বুলবুল। তিনি বলেন, ‘এর আগে চাঁদের হাটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্য যারা জীবনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন, তাদেরকে এই সংবর্ধনা দেওয়া হত। এই প্রথম চাঁদমণিদের অভিভাবকদের মধ্য থেকে সমাজ-সংস্কৃতিতে বিভিন্নভাবে অবদান রাখার জন্য সংবর্ধনা দেওয়া হলো।’ ‘এভাবে যশোরের শিল্পসংস্কৃতি এগিয়ে যাবে’ বলে দর্শক সারিতে উপস্থিতমন্ডলীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তথ্যসূত্রঃ Samajer Katha