আপডেট: জানুয়ারী ২২, ২০১৭   ||   ||   মোট পঠিত ১১৪ বার

বিবর্তন যশোরের সনদপত্র বিতরণ

বিবর্তন যশোরের সনদপত্র বিতরণবিবর্তন যশোর আবৃত্তি স্কুলের উদ্যোগে সনদপত্র বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়েছে। শনিবার বিকেলে টাউনহল মাঠের রওশন আলী মঞ্চে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে ২০১৬ সালে ধ্রুব পরিষদের আওতায় অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় বিভিন্ন বর্ষে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেয়া হয়। তিনপর্বে অনুষ্ঠিত আয়োজনটি আলোচনা, সনদ বিতরণ এবং আবৃত্তি ও নাটকে সাজানো হয়।
বিবর্তন সভাপতি সানোয়ার আলম খান দুলুর সভাপতিত্বে আলোচনা পর্বে অতিথি ছিলেন ধ্রুব পরিষদ দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সভাপতি অর্ধেন্দু প্রসাদ ব্যানার্জী ও জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ডিএম শাহিদুজ্জামান শাহিদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিবর্তন আবৃত্তি স্কুলের পরিচালক এইচ আর তুহিন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন আবৃত্তি স্কুলের অধ্যক্ষ সপ্তর্ষী দাস শীলা এবং বিবর্তন কর্মী কামরুল হাসান রিপন। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হাতে সনদ এবং বিশেষ উপহার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। স্কুলের ৬২ শিক্ষার্থী অতিথিদের হাত থেকে সনদ গ্রহণ করেন। সনদ গ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে সারাদেশের মধ্যে বিশেষ কৃতিত্ব অর্জনকারীদের বিশেষ সংবর্ধনা ক্রেস্ট দেয়া হয়। আবৃত্তি চতুর্থ বর্ষে সারা দেশের মধ্যে প্রথম হওয়ায় সজীব অধিকারী, পঞ্চম বর্ষে সারাদেশে প্রথম হওয়ায় তাহমিদা তাসনিম রূপন্তী, চতুর্থ বর্ষে সারাদেশে দ্বিতীয় হওয়ায়া আন্তারা তাবান্নুন তাবিতা, তৃতীয় বর্ষে সারাদেশে দ্বিতীয় হওয়ায় সাদিয়া ইফাত তৃশা এবং পঞ্চম বর্ষে সারাদেশে দ্বিতীয় হওয়ায় সাবাক রুপককে স্কুলের পক্ষ থেকে বিশেষ সংবর্ধনা ক্রেস্ট দেয়া হয়।
আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, সন্তানের মেধা এবং সৃজনশীলতার বিকাশের জন্য অভিভাবকবৃন্দকে আরো বেশি সচেতন হতে হবে। মনে রাখতে হবে সন্তানকে পুথিগত শিক্ষায় শিক্ষিত করা মানে প্রতিযোগিতার মাঠে নামানো নয়। সন্তানের মেধা মনন এবং মানসিকতার যথার্থ উন্নয়নের জন্য সংস্কৃতি চর্চার প্রতিও গুরুত্বরোপ করতে হবে। কেননা বর্তমান পেক্ষাপটে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক উন্নয়ন সবচেয়ে বেশি দরকার।

তথ্যসূত্রঃ Daily gramerkagoj