আপডেট: মার্চ ৬, ২০১৪   ||   ||   মোট পঠিত ৫৩২ বার

‘কালো সোনায়’ সফল ঝিনাইদহের কৃষক

ঝিনাইদহের জেলার মাটি ও আবহাওয়া পেয়াজের বীজ উৎপাদনের জন্য বেশ উপযোগী। এখানকার বীজ উৎকৃষ্টমানের আর গুণগতমানে সেরা হওয়ায় চাহিদাও প্রচুর। বাজারে পেয়াজ বীজের ভাল দাম পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন কৃষকরাও। তাই এখানকার পেয়াজ বীজ পরিচিতি পেয়েছে ‘কালো সোনা’ হিসেবে। ভারত সীমান্তবর্তী জেলার ঝিনাইদহ মহেশপুর উপজেলার মা ে মা ে পেয়াজের চাষ হয়, অনেকে বাণিজ্যিক ভাবে পেয়াজের বীজ উৎপাদন করে থাকে এবং অধিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন।

পেয়াজ বাংলাদেশের একটি অতি নিত্য ব্যবহৃত মসলা জাতীয় ফসল। খাদ্য তালিকায় একটি অপরিহার্য উপাদান। বাংলাদেশে সাধারণত মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হলেও সবজি ও সালাদ হিসেবে উন্নত দেশগুলোতে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে পেয়াজ। আমাদের দেশে প্রায় দেড় লাখ হেক্টর জমিতে পেয়াজ প্রতিবছর চাষ হয়। যা চাহিদার মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। যার ফলে বাকি দুই-তৃতীয়াংশের জন্য নির্ভর করতে হয় র্পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের ওপর। এ ছাড়া একমাত্র শীতকালেই পেয়াজ উৎপাদন হয় বলে বছরের অন্য সময়গুলোতে চড়া দামে পেয়াজ কিনতে হয় ভোক্তাদের। পেয়াজ এমন একটি মসলা যা প্রতিটি তরকারি, সবজি, সালাতসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি রান্না করতে পেয়াজ ব্যাপক ভাবে প্রয়োজন হয়ে থাকে।

ঝিনাইদহ জেলায় উৎপাদিত পেয়াজ বীজ আশপাশের জেলার চাহিদা পূরণ করলেও এখানকার চাষীরা অনেকটাই হতাশ। তাদের অভিযোগ, তারা পেয়াজ বীজ চাষের জন্য কৃষি ঋণ সুবিধা পাচ্ছেন না। বিএডিসিও তেমন সহযোগিতা না করায় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে।

অনেক কৃষক জানান, পেয়াজের বীজ চাষ খুব ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে ঝড় হলে পেয়াজের বীজ পচে নষ্ট হয়ে যায়। দন্ডায়মান গাছে আর বীজ হয় না। আর যে সব গাছে বীজ তৈরি হয় সে সব গাছের নীচের ছোট ছোট পেয়াজ হয়। এসব ছোট পেয়াজ কৃষকরা রোপন করে পেয়াজের ক্ষেত করে থাকে।

তথ্যসূত্রঃ