আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৪   ||   ||   মোট পঠিত ৩৫৮ বার

মিরাক্কেলে যশোরের মৃত্তিকার শেষপর্ব আজ

ভারতীয় টিভি চ্যানেল জি-বাংলার জনপ্রিয় কমেডি শো মিরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার-৮ এ আজ ১০ সেপ্টেম্বর রাতে পারফর্ম করবে যশোরের মেয়ে মৃত্তিকা। এটাই তার শেষপর্ব। সে প্রথম পারফর্ম করে ১৩ আগস্ট, দ্বিতীয়বার উপস্থিত হয় ২৬ আগস্ট।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১০ সেপ্টেম্বর রাতের রাউন্ডে বিদায় নেবে মৃত্তিকা। চলতি বছরের জুন মাসে খুলনায় বিভাগীয় পর্যায়ে মিরাক্কেলের বাছাইপর্বে পাঁচ শতাধিক প্রতিযোগীর মধ্যে মৃত্তিকা দ্বিতীয় হয়। এরপর ঢাকায় দ্বিতীয় বাছাইয়ে সে তালিকাভুক্ত হয় এবং মূল অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার সুযোগ পায়।

যশোরের কোন প্রতিযোগী এই প্রথম ভারতের কোন জনপ্রিয় টিভি শোতে অংশগ্রহণ করেছে। মৃত্তিকা জুন মাসের ৩০ তারিখে ভারতের গড়িয়াহাটের কসবায় জি-বাংলার গ্রুমিংয়ে অংশ নেয়।

এব্যাপারে সুরধুনী সংগীত নিকেতন ও শিল্পকলা একাডেমীর সেক্রেটারি মাহমুদ হাসান বুলু বলেন, যশোরে কৌতুকের সাথে অভিনয়ের চর্চা তেমন একটা নেই। নিজ প্রতিভায় যশোরের মেয়ে মৃত্তিকা খুলনা ও ঢাকায় কয়েক ধাপ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েই কলকাতায় পৌঁছায়। এরপর সে মিরাক্কেলের মত বিশাল স্টেজে পারফর্ম করেছে সাহসিকতার সাথে। তার সাবলীল পারফরমেন্সে সবাই মুগ্ধ।

অগ্নিবীণা যশোরের সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মোর্শেদ আলম বলেন, মৃত্তিকা যশোর তথা বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে এনেছে। আমাদের সংস্কৃতি ও ভারতের সংস্কৃতির সাথে একটি মেইল বন্ধন সৃষ্টি করেছে মৃত্তিকা। তার বাচনভঙ্গি অনুকরণ করার মত। কৌতুকে ভিন্নমাত্রা যোগাচ্ছে মৃত্তিকা। আমাদের সম্পদে পরিণত হয়েছে সে। অগ্নিবীণা পরিবার তার আরও সাফল্য কামনা করছে।

এদিকে মৃত্তিকা জানায়, এলিমেশন হয়ে খারাপ লাগছে। দুই মাসের বেশি সময় কাটিয়েছি মিরাক্কেল পরিবারের সঙ্গে। পারিবারিক পরিবেশে সময় কেটেছে আমাদের সবার।

সে জানায়, তার আজকের এই অবস্থানে আসার পেছনে মিরাক্কেলে ক্যাপ্টেন শুভঙ্কর চট্টোপাধ্যায়, মির আফসার আলীসহ অন্যান্যের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাদের সকলের প্রতি সে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। আজকের প্রোগ্রাম দেখার আহবান জানিয়ে মৃত্তিকা দোয়া কামনা করেছে।

মৃত্তিকা যশোর শহরের ষষ্টীতলাপাড়ার পিটিআই সড়কের সুখেন্দু বিশ্বাস ও রীমা বিশ্বাসের মেয়ে।

সে যশোর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর (প্রভাতী শাখা) এবং সুরধুনী সংগীত নিকেতনের শিক্ষার্থী।

তথ্যসূত্রঃ Gramerkagoj