আপডেট: এপ্রিল ১৬, ২০১৪   ||   ||   মোট পঠিত ৩৯৩ বার

পহেলা বৈশাখে যশোরে মহামিলন মেলা

অসাম্প্রদায়িক চেতনার মধ্য দিয়ে যশোরের বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হয়েছে। এদিন উচ্ছ্বাসে মেতে উ েছিল তারুন্য। উদ্যাম আর উচ্ছ্বাসের সবটুকু ঢেলে দেয় বর্নিল রঙের ছটায়। নতুন বছরের স্পর্শে প্রকৃতির মতো চঞ্চল হয়ে ও ে। ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে একত্রে মিলিত হয় সব শ্রেনীর মানুষ। লোকারণ্য হয়ে যায় শহর ও শহরতলী। ঘর ছেড়ে সবাই বেরিয়ে আসে। আনন্দ আর আড্ডায় মেতে ও ে। দিনটি উদযাপনে আগের থেকেই সবর ছিল যশোরের সাংস্কৃতিক সংগ নগুলো। মঙ্গল শোভাযাত্রা নাচ গান,নাটক ও যাত্রাপালার মাধ্যমে সমগ্র যশোর মাতিয়ে তোলে। তুলে আনে বাঙালির চিরয়ত ঐতিহ্য।

পহেলা বৈশাখ বাঙালির চেতনার অন্যতম উৎসব। সোমবার পহেলা বৈশাখ বরণ করতে যশোরের মানুষ সবর ছিল। হাজার বছরের বাঙালিয়ানা ভাব তুলে ধরতে বর্ণিল সাজে সেজেছিল শহরের পৌর পার্ক, টাউনহল, জিলা স্কুল, নব কিশলায়,উপশহর পার্ক, জেস গাডেন্টসহ গুরুত্ব পূর্ন এলাকা। শহরের মেড়ে মোড়ে বৈশাখের শুভেচ্ছায় তোরন, ব্যানার, প্যানা সাইনবোর্ড দিয়ে সাজানো হয়। বিভিন্ন স্পটে বসানো হয় মেলা। ঢাকের বাদ্যে শহরবাসী পায় চাঞ্চল্যতা। বৈশাখের সাজে মেতে ও ে তরুন তরুনী,যুবক যুবতীসহ সব শ্রেনীর মানুষ। পোশাকে প্রকাশ পায় বাঙালিত্বের। হাত মুখে আল্পনা আঁকিয়ে সবাই নেমে আসে রাস্তায়। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে আনন্দ-বিনেদন।এদিন যশোর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পান্তা ইলিশ খাওয়ানো হয়। এতে অংশ নেয় সামাজিক রাজনীতিক, সাংস্কৃতিকসহ বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেনীর মানুষ।

পহেলা বৈশাখের সব চেয়ে বড় আয়োজন হয় পৌর উদ্যানে। উদীচীর আয়োজনে ভোর ৬ টা ৩১ মিনিটে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্টান। চলে দুপুর ১২ পর্যন্ত। এ অনুষ্টানে উদীচীর ৩ শতাধিক শিল্পী অংশ গ্রহন করে। কবিতা, নাটক ও বাঙালির হারিয়ে যাওয়া গানের সুরে মুর্ছনা করে তোলো দর্শকদের। দর্শক ও যেন হারিয়ে যায় হাজার বছরের হারিয়ে যাওয়া সেই পুরনো ঐতিয্যে। নাট্য সংগ ন বিবর্তন ও সুরধনী সংগীত নিকেতন মাতিয়ে ছিল নবকিশলায় প্রাঙ্গন। সব শ্রেনীর মানুষের উপস্থিতিতে কানায় কানায় পুর্ন ছিল নবকিশলায় মা । সকাল ৬ টা থেকে শুরু করে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত চলে তাদের নাচ, গান ও যাত্রাপালা। মত মাতানো গানের আসর জমিয়েছিল সুরবিতান ও নৃত্যবিতান। শহরের টাউন হল মা ে যৌথভাবে এ দুটি সংগ ন নাচ গানের আয়োজন করে। পুনশ্চ’ র আয়োজনে জিলা স্কুল মা ে পরিবেশিত হয় নাচ,গান। এতে হাজারো মানুষের ঢল নামে। শেকড় এর গানের আসরে মুগ্ধ হয় দর্শক ও শ্রোতারা। বিকেলে পৌর উদ্যানে চলে তাদের জমজমাট সাংস্কৃতিক অনুষ্টান। এছাড়া চাঁদের হাট, চারুপীট, তির্যক, সম্পন্দন, সাহিত্য পরিষদ, মাইকেল সংগীত একাডেমি, কিংশুকসহ অন্তত ৩০ টি সাংস্কৃতিক সংগ ন মাতিয়েছিল পহেলা বৈশাখের নাচ ও গানে।

তথ্যসূত্রঃ Samajer Katha