আপডেট: ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০১৬   ||   ||   মোট পঠিত ১৮৮ বার

আরবপুর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোগ :একহাজার তরুণের কর্মসংস্থানের জন্য আউটসোর্সিং কার্যক্

‘চাকুরি নিব না, চাকুরি দিব’ শিরোনামে একহাজার তরুণের কর্মসংস্থানের জন্য আউটসোর্সিং কার্যক্রম শুরু করেছে আরবপুর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার। রোববার বিকাল চারটায় যশোর সদর উপজেলার ইউডিসি আরবপুরের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি ) মোঃ পারভেজ হাসান।

ইউডিসি আরবপুরের উদ্যোক্তা এসএম আরিফুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন চাঁদের হাট যশোরের প্রতিষ্ঠাতা ও দৈনিক ইত্তেফাকের স্টাফ রিপোর্টার ফারাজী আহমেদ সাঈদ বুলুবুল, দৈনিক গ্রামের কাগজের নির্বাহী সম্পাদক আসাদ আসাদুজ্জামান, সিলিকন সল্যুশন লিমিটেডের সিইও শামিমুল ইসলাম হিরণ এবং আউটসোর্সিং এক্সপার্ট সারোয়ার জাহান আরেফিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সহযোগী প্রশিক্ষক মিঠুন কুমার রায়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ পারভেজ হাসান বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে সরকার ডিজিটাল সেন্টার স্থাপন করেন। প্রতিষ্ঠানগুলি তৃণমূল মানুষের বাতিঘর হয়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। দক্ষ মানব সম্পদ উন্নয়নে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম তার অন্যতম। বর্তমান সময়ে আউট সোর্সিং বিপুল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে বেকারত্ম দূরীকরণসহ আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে আত্ম নিয়োগের আহবান জানান। সেই সাথে তিনি বিদেশী ভাষার দক্ষতা বৃদ্ধিসহ সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

আরবপুর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার একহাজার তরুণের কর্মসংস্থানের জন্য আউট সোর্সিংয়ের বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। প্রতিটি ব্যাচে ৩০ জন প্রশিক্ষনার্থী অংশগ্রহণ করবেন। বিনামূল্যে এ প্রশিক্ষণ গ্রহণের পাশাপাশি হাতে কলমে কাজ করার জন্য মাসে প্রতিজন দুইহাজার টাকা করে আয় করবেন। তবে দক্ষতা বৃদ্ধির সাথে তাদের আয়ের পরিমাণ ও কাজ অনুযায়ী বাড়বে। প্রতিদিন সকাল সাতটা থেকে বেলা এগারটা, দুপুর তিনটা থেকে সন্ধ্যা সাতটা এবং সন্ধ্যা সাতটা থেকে রাত এগারটা পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে।

আরবপুর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা এস এম আরিফুজ্জামান জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আউটসোর্সিং স্বল্পমেয়াদে প্রশিক্ষন দিয়ে তাদের কর্মবাজারে ছেড়ে দেয়। কোন ফলোআপ না থাকায় পরবর্তীতে তারা অনেক সময় নানাবিধ সমস্যার কারনে সফল হতে পারেন না। আমরা প্রশিক্ষনার্থীদের শুধু দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষণই দিব না কাজের বাজার তৈরী করে টিম হিসেবে সাথে রেখে তাদেরকে কাজের ক্ষেত্র তৈরী করে দিব।

তথ্যসূত্রঃ Gramerkagoj