আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৬   ||   ||   মোট পঠিত ৫৯৭৮ বার

মণিরামপুরের পলাশীর মোড় থেকে বাসুদেবপুর মোড় পর্যন্ত রাস্তা হাঁটু কাদা মাড়িয়ে স্কুলে যেতে হয়

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার পলাশীর মোড় থেকে বাসুদেবপুর মোড় এক কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের অভাবে এলাকার হাজারো মানুষ চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা পড়ছেন চরম বিপাকে। তারা বর্ষা-বাদলের দিনে স্কুল-কলেজে যাওয়ার পথে কাদায় পড়ে বাসায় ফিরে আসছেন।

উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ পলাশী ও বাসুদেবপুর। পলাশীতে রয়েছে পলাশী কলেজিয়েট স্কুল, রয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই স্কুল-কলেজে লেখাপড়া করেন শরণপুর, চন্দ্রপুর, বাসুদেবপুর ও পোটিসহ আশপাশের গ্রামের ছেলেমেয়েরা। কিন্তু পলাশীর মোড় থেকে বাসুদেবপুর মোড় এক কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণের অভাবে চরম দুর্ভোগের মধ্যে আছে সেখানকার স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। বর্ষার দিনে এই সড়কে হাঁটু পর্যন্ত কাদা হয় এমন কথা জানিয়ে পলাশী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আল-মামুন বলেন, তারা প্যান্ট গুটিয়ে বই মাথায় নেন। এরপরও কাদা ছিটকে গায়ে লাগে। অনেকে আবার কাদা রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে পড়ে যান। তখন তারা বাধ্য হয়ে কাসে না গিয়ে বাড়ি ফিরে আসেন।

পলাশী গ্রামের পলাশ কুমার খাঁ, দীলিপ কুমারসহ অনেকে দুঃখ করে বলেন, এই রাস্তাটির অভাবে তারা দীর্ঘ বছর যাবৎ কষ্টে আছেন। তারা বলেন, আমরা যারা কৃষক; বাজারে বিক্রির জন্য যারা মাঠ থেকে সবজি তুলে থাকি। তারা সেই সবজি ঘাড়ে তুলি। অনেক কষ্টে বাজারে নিয়ে যায়। শুধু তাই নয়, আমাদের ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা কাদা মাড়িয়ে স্কুলে যায়। কষ্টের কারণে অনেকে ঠিকমতো বিদ্যালয়ে যেতে চায় না। এসব বিষয়ে স্থানীয় ক্ষমতাসীন দলের নেতা ও জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করেছি। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।

এই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, এ রাস্তাটি স্কুল সংলগ্ন হওয়ায় অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমি আন্তরিক হলেও নানা কারণে পাকাকরণে ভূমিকা রাখতে পারেনি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও স্থানীয় সংসদ সদস্যরা যদি মনে করতেন অবশ্যই রাস্তাটি পাকা করতে পারতেন। এ রাস্তাটি পাকাকরণের উদ্যোগ নিতে তিনি তাদেরকে অনুরোধ করেছেন।

তথ্যসূত্রঃ Samajer Katha