আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৬   ||   ||   মোট পঠিত ৪০২৪ বার

যশোরের ৩টিসহ খুলনা বিভাগের ১৬টি কলেজ জাতীয়করণ

যশোরের ৩টিসহ খুলনা বিভাগের ১৬টি কলেজ জাতীয়করণখুলনা বিভাগের ১৬টিসহ সারাদেশের ১৯৯টি কলেজ জাতীয়করণের অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই তালিকায় যশোরের চৌগাছা ডিগ্রি কলেজ, ঝিকরগাছার শহীদ মশিয়ূর রহমান ডিগ্রি কলেজ ও অভয়নগরের নওয়াপাড়া মহাবিদ্যালয় রয়েছে।

গত ২৮জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদিত কলেজগুলোর দুটি পৃথক তালিকা প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ সাজ্জাদুল হাসান শিক্ষামন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছেন। ওই তালিকার আলোকে গত ৩০ জুন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাছিমা খানম স্বাক্ষরিত একপত্রে জাতীয়করণের অনুমোদনপ্রাপ্ত কলেজগুলোতে নিয়োগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও পরিদর্শন প্রতিবেদন প্রেরণ করতে বলা হয়েছে।

জাতীয়করণের অনুমোদন প্রাপ্ত খুলনা বিভাগের ১৬টি কলেজ হলো-খুলনার ফুলতলা মহিলা কলেজ, শাহপুর মধুগ্রাম কলেজ, যশোরের নওয়াপাড়া মহাবিদ্যালয়, চৌগাছা ডিগ্রি কলেজ ও ঝিকরগাছার শহীদ মশিয়ূর রহমান ডিগ্রি কলেজ। ঝিনাইদহের মাহতাব উদ্দিন ডিগ্রি কলেজ, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ, চুয়াডাঙ্গার জীবননগর আদর্শ মহিলা ডিগ্রি কলেজ, বাগেরহাটের কচুয়ার শহীদ শেখ আবু নাসের মহিলা ডিগ্রি কলেজ, ফকিরহাট ফজিলাতুননেছা মুজিব মহিলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়, মোল্লাহাটের বঙ্গবন্ধু মহিলা ডিগ্রি কলেজ, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু মহিলা মহাবিদ্যালয় ও রামপাল ডিগ্রী কলেজ। সাতক্ষীরার দেবহাটার খান বাহাদুর আহছান উল্লাহ কলেজ, মাগুরা মহম্মদপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জামান কলেজ, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার হাবিবুল আলম বীরপ্রতীক মহাবিদ্যালয়।

সূত্রে জানা গেছে, সরকারি কলেজবিহীন উপজেলায় একটি করে কলেজ জাতীয়করণে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত একটি কমিটি ৩২৫টি কলেজ জাতীয়করণের লক্ষ্য নির্ধারণ করে। প্রধানমন্ত্রীর চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয় জুন মাসে। চারটি বাদ পড়ে প্রথমেই। এরপর নানা অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আবারো যাচাইবাছাই হয়। যাচাইবাছাইযের পর গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ১৯৯টি কলেজের দুইটি পৃথক তালিকা কঠোর গোপনীয়তায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ১৯৯টি কলেজ জাতীয়করণের অনুমোদন/সদয় অনুশাসন দিয়েছেন।

সরকারের সিদ্ধান্ত হলো প্রত্যেক উপজেলায় একটি কলেজ ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করা। তারই আলোকে এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্রঃ Gramerkagoj