আপডেট: মে ২২, ২০১৬   ||   ||   মোট পঠিত ২১৬৫ বার

রাজগঞ্জের সেই মন্টু চেয়ারম্যানকে ধরিয়ে দিতে এসপির পুরস্কার ঘোষণা

জিএম বাবু, রাজগঞ্জ (যশোর) : রাজগঞ্জের সেই মন্টু চেয়ারম্যানকে ধরিয়ে দিতে এসপির পুরস্কার ঘোষণাযশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জে সংখ্যালঘুসহ কৃষকদের ২’শ বিঘা ফসলি জমি দখলকারী সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান বহু অপকর্মের হোতা একাধিক মামলার আসামি সামছুল হক মন্টুকে ধরিয়ে দিতে অবশেষে ২৫ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

২১ মে দুপুরে উপজেলার রাজগঞ্জের রামনাথপুর গ্রামে নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষসহ কৃষকদের স্বান্তনা দিতে গিয়ে এ ঘোষণা দেন পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান। এসময় যশোর জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ুন কবির, মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহি অফিসার কামরুল হাসান, মণিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাহেরুল ইসলাম, রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আইনুদ্দিন বিশ্বাসসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকসহ স্থানীয় জনগণের উদ্দেশ্যে জেলা প্রশাসক ড. হুমায়ণ কবির বলেন, দখলকৃত ওই ২শ বিঘা ফসলি জমির উপর তৈরি ভেড়ি বাঁধের মাটি আগামী কয়েক দিনের মধ্যে সমান করে দিয়ে চাষের উপযোগী করে দেয়া হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতাসহ আইনী সহায়তা দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, উপজেলার ঝাঁপা ইউনিয়নের সদ্য নির্বাচিত চেয়ারম্যান সামছুল হক মন্টু, তার ছোট ভাই টুটুল ও সাইফুলের নেতৃত্বে নন্টু, কামরুল, মাহবুর মেম্বর, রবিউল, মমিন, শরিফুল, শাহাদাত, আব্দুল হামিদ, রাজগঞ্জের আনিছুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম, মনোহরপুর গ্রামের রুহুল ও খালিয়া গ্রামের আবু কাসেমসহ ২০/২৫ জন বোমা, পিস্তল, রামদাসহ দেশি অস্ত্র নিয়ে গত ১৩ মে রামনাথপুর, চন্ডিপুর ও মনোহরপুর গ্রামের সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারসহ নিরীহ সাধারণ কৃষকের ২’শ বিঘা ফসলি জমি অস্ত্রের মুখে জোর-দখল করে মাছের ঘের নির্মাণ করে। এ ঘটনায় ওই তিন গ্রামের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা ফুঁসে ওঠেন। ১৮ মে ক্ষতিগ্রস্ত রামনাথপুর গ্রামের অরুণ হাজরা বাদী হয়ে একাধিক মামলার আসামি সন্ত্রাসী শামছুল হক মন্টু চেয়ারম্যান ও তার তিন ভাইসহ ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মাহবুব মেম্বর নামে মন্টু চেয়ারম্যানের এক সহযোগীকে আটক করেন। যশোর পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান আরও বলেন, মামলার অন্যান্য আসামির পাশাপাশি মন্টু বাহিনীর সকল সহযোগীর আটকের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

তথ্যসূত্রঃ Gramerkagoj